সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠাটা কি আপনার কাছেও এক বিরাট চ্যালেঞ্জের মতো মনে হয়? ☀️ আলস্যে ভরা গরম বিছানা ছেড়ে ওঠার মতো কষ্টকর কাজ আর কিছু নেই! কিন্তু জানেন কি, আপনার পুরো দিনটাই নির্ভর করে এই প্রথম কয়েক ঘন্টার ওপর? একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সারাদিনের প্রোডাক্টিভিটি এর চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে আপনার সকালের রুটিন এ। আসলে, সকালটাকে জয় করার উপায় খুঁজে পাওয়াটাই আপনাকে এগিয়ে রাখবে অনেকখানি। এটা শুধু সকালে উঠার উপায় নয়, বরং আপনার জন্য পারফেক্ট মর্নিং মোটিভেশন খুঁজে বের করার গল্প।

একটা গবেষণা বলে, যারা নিয়মিত সকালে ওঠেন তাদের স্ট্রেস লেভেল ২৫% পর্যন্ত কম থাকে! ভাবুন তো, একটা ছোট্ট পরিবর্তন কীভাবে আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে। এটা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া কোনো নিয়ম না, বরং নিজের জন্য একটা সুন্দর উপহার।

১. আগের রাতেই তৈরি হয়ে যান

রাতেই আপনার সকালের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। আমি নিজেও আগে রাত জাগতে পছন্দ করতাম, কিন্তু একটা ছোট্ট পরিবর্তন সব বদলে দিয়েছে।

  • বিছানা গুছিয়ে রাখুন: একটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রুম দেখলে সকালে উঠে মনটা ফ্রেশ লাগবে।
  • পরের দিনের পোশাক ঠিক করে রাখুন: সকালবেলা ‘কি পরব’ এই চিন্তা থেকে মুক্তি পাবেন।
  • এক গ্লাস পানি床头 টেবিলে রাখুন: উঠেই হাইড্রেশন শুরু করে দিন। শরীরটা Thank you বলবে!

এক ক্লায়েন্ট ছিলেন, তিনি শুধু এই টিপসগুলো follow করে সকালে উঠতে পারার হার ৯০% বাড়িয়েছেন। কথাটা ভাবুন!

২. অ্যালার্ম ঘড়িটাকে করুন আপনার বন্ধু

শুধু একটা অ্যালার্ম সেট করলেই হবে না, স্মার্ট হতে হবে। সেই ভয়ঙ্কর ‘স্নুজ’ বাটনটা কিন্তু আপনার শত্রু!

  • অ্যালার্মটা বিছানা থেকে দূরে রাখুন: বন্ধ করতে উঠতেই হবে। একবার উঠে পড়লে আর ঘুমাতে ইচ্ছে করবে না।
  • গ্রাজুয়ালি ওঠার চেষ্টা করুন: হঠাৎ করে ৫টা ওঠার চেষ্টা না করে, আগে যা সময় উঠতেন তার ১৫ মিনিট আগে ওঠার টার্গেট রাখুন।
  • ফোনের অ্যালার্ম টিউন বদলে ফেলুন: কর্কশ আওয়াজের বদলে কোনও সুন্দর, শান্তি দেয়া মিউজিক সেট করুন।

🔥 Pro tip: অ্যালার্ম বন্ধ করে сразу বিছানায় ফিরে যাওয়ার লোভটা resist করুন। একবার উঠে পড়লে জিতেছেন আপনি!

কী করবেন যখন একেবারেই ইচ্ছে করছে না?

সবারই এমন দিন আসে। তখন নিজেকে একটা সহজ প্রশ্ন করুন, “আমি কি আজকের দিনটাকে নষ্ট করতে চাই?” উত্তরটা ‘না’ হলেই আপনি জিতেছেন। এই ছোট্ট সকালের অনুপ্রেরণাই যথেষ্ট।

৩. আপনার জন্য কাজ করে, এমন রুটিন বানান

কারও জন্য meditation কাজ করে, কারও বা জন্য এক কাপ গরম কফি। আপনার সকালের অভ্যাসটা খুঁজে বের করুন। এটা别人的 রুটিন কপি করা নয়।

  • প্রাকৃতিক আলো: উঠেই curtains টান করে খুলে দিন। সূর্যের আলো শরীরের biological clock কে reset করতে সাহায্য করে।
  • হালকা শরীরচর্চা: ১০ মিনিটের স্ট্রেচিং বা ৫ মিনিটের জগিংও যথেষ্ট। এন্ডোরফিন hormone আপনার mood-instantly improve করে দেবে।
  • প্রোটিন সমৃদ্ধ নাস্তা: এক কাপ চা-বিস্কুটের বদলে ডিম, ওটমিল বা ফল খান। এনার্জি লেভেল পুরো দিন ঠিক রাখবে।

এটাকে একটা গেমের মতো think করুন। আপনি প্রতিদিন নিজেরই রেকর্ড ভাঙছেন। কিংবা soil-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মতো, আজকে যা invest করবেন, পুরো দিন তার সুন্দ ফল পাবেন।

৪. আপনার ‘কেন’টা খুঁজে বের করুন

শুধু ‘ওঠা’ই গোল না, ওঠার পেছনে আপনার compelling reasonটা কী? সেটা যদি বড় কোনো reason না-ও হয়, তাও চলবে।

  • নিজের জন্য ৩০ মিনিট Quiet Time পাবেন।
  • বিনা interruption-এ বই পড়তে পারবেন।
  • সবার আগে office-এ গিয়ে important workটা সেরে নেবেন।

আমার এক বন্ধু সকালে ওঠেন কারণ তিনি নিজে Breakfast বানিয়ে খেতে পছন্দ করেন। এই ছোট্ট joy-ই তার জন্য যথেষ্ট motivation। আপনার motivationটা কী?

শেষ কথাঃ ছোট্ট করে শুরু করুন

আজকেই হুট করে ৫টায় ওঠার চেষ্টা করবেন না। আগে যে সময় উঠতেন, তার থেকে মাত্র ২০ মিনিট আগে ওঠার চ্যালেঞ্জ নিন। সপ্তাহখানেক পর results নিজেই দেখে আপনি আশ্চর্য হয়ে যাবেন। একটা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এর শুরুটা হয় ছোট্ট একটা পদক্ষেপ থেকে।

আজ রাতেই আগের দিনের প্রস্তুতি

Categorized in: